Logo
শিরোনাম
মাদক কারবারির হাতে নিহত এএসআই পিয়ারুলের বাড়ীতে শোকের মাতম গাজীপুরের মেয়রকে আ.লীগ থেকে বহিষ্কারের দাবিতে তৃতীয় দিনে বোর্ডবাজার সহ মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ প্রধানমন্ত্রীর এসডিজি অর্জনে গাজীপুর মেয়রের আনন্দ মিছিল গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গৌরবময় সেবার তৃতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বাসন থানা কর্তৃক কেক কেটে উদযাপন করেন। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ২৯ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম তরত পাড়া পাকা মসজিদ।  ঘোড়াশালে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের ৪ দফা দাবিতে মানববন্ধন ও ৪ মন্ত্রণালয়ে স্বারকলিপি প্রদান লড়াই করে জিতে আরও এগিয়ে বাংলাদেশ ছাড় দেওয়া বয়স মেনে চাকরির শূন্য পদ পূরণের নির্দেশ সাড়ে ১৬ কোটি টিকা কেনার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ২১২১ সহকারী শিক্ষকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা আবার শুরু। নগরীর ৩৪ নং ওয়ার্ড গাছা থানা আওয়ামী লীগ অঙ্গ সহযোগী সংগঠন উদ্যোগে ১৫ ই আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মিলাদ মাহফিল, দোয়া ও গনভোজ অনুষ্ঠিত। বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ গাজীপুর মহানগর শাখা কর্তৃক আয়োজিত ৪৬ তম জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা, দোয়া ও গনভোজের. দেশের ৪৬১টি উপজেলা শতভাগ বিদ্যুতায়িত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। খুনিদের জিয়া দেন চাকরি, খালেদা বানান এমপি: শেখ হাসিনা নিউ ডেভেলপোর্ট ব্যাংকার নতুন সদস্য বাংলাদেশ নিউ জিল্যান্ডের ব্যাটিংয়ে যোগ হচ্ছে অ্যালেনের ‘বারুদ’ ফিন অ্যালেন। নারীকর্মী রিমান্ড বিচারক ব্যাখা এবং দুই কোম্পানী আদালতে তলব বিদেশী পিস্টলাস প্রেরক গ্রপ্তার পঞ্জিশির ঘড়ি ফিলেচা তালেবান সাকিব জানালেন, উইকেট অস্ট্রেলিয়া সিরিজের হতে হতে পারে

তিন বছরে পাচার হয়েছে ৩২০০ কোটি টাকা

পণ্য আমদানিতে মিথ্যা ঘোষণা, রপ্তানি আয় দেশে না আনা, শুল্ক্কমুক্ত সুবিধার অপব্যবহারসহ নানা অনিয়ম ও জালিয়াতির মাধ্যমে ৪৮টি প্রতিষ্ঠান গত তিন বছরে দেশ থেকে তিন হাজার ২০০ কোটি টাকা পাচার করেছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) শুল্ক্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের প্রাথমিক অনুসন্ধানে এ তথ্য উদ্‌ঘাটন করা হয়েছে। পাচার করা টাকা উদ্ধারে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত ৮১টি মামলা করা হয়। এর মধ্যে শুল্ক্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তরের দায়ের করা মামলার সংখ্যা ৭৮টি। বাকি তিনটি চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের। সংশ্নিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

যোগাযোগ করা হলে শুল্ক্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. সহিদুল ইসলাম সমকালকে বলেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে ওই সব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের ঘটনা প্রমাণ হয়েছে। এখন গভীর তদন্ত চলছে। কিছু মামলার তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে। শিগগির চার্জশিট দেওয়া হবে এবং অভিযুক্তদের বিচারের আওতায় আনা হবে।

বর্তমান মানি লন্ডারিং বা অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনে অপরাধ প্রমাণ হলে সর্বনিম্ন চার বছর ও সর্বোচ্চ ১২ বছর পর্যন্ত জেলের বিধান রয়েছে। একই সঙ্গে যে পরিমাণ অর্থ বা সম্পদ পাচার করা হয়, তার দ্বিগুণ জরিমানার বিধান রয়েছে। জানা যায়, পাচার করা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেশির ভাগই রাজধানী ঢাকা ও এর আশপাশের। ২০১৭ সাল থেকে চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে অর্থ পাচারের এ ঘটনা ঘটেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদেশে অর্থ পাচার ঠেকাতে আইন কঠোর হলেও তা যথাযথভাবে প্রয়োগ হচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে বাস্তবায়নকারী সংশ্নিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র বলেছে, বর্তমান মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন আন্তর্জাতিক মানের। তবে প্রয়োগের ক্ষেত্রে নানা সমস্যা রয়েছে। যে কারণে মামলা নিষ্পত্তিতে আশানুরূপ ফল আসছে না।

সূত্র জানায়, বিদ্যমান আইনটি ২০১২ সালের। এর সাত বছর পর চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে বিধি করা হয়। দীর্ঘ সময় বিধিমালা না থাকায় অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনে দায়ের করা মামলাগুলো নিষ্পত্তিতে ধীরগতি চলছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অর্থ পাচার বাড়লেও অপরাধীরা থেকে যাচ্ছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। অর্থনীতিবিদরা বলেছেন, পাচারকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে, নতুবা পাচার কমবে না।

জানা যায়, আগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) একাই অর্থ পাচার-সংক্রান্ত অভিযোগের অনুসন্ধান, তদন্ত ও মামলা পরিচালনা করত। ঘুষ-দুর্নীতি, জাল-জালিয়াতি সংক্রান্ত অপরাধের মধ্যে দুদকের সীমাবদ্ধতা ছিল। এর বাইরেও কর ফাঁকি, মিথ্যা ঘোষণাসহ নানা পন্থায় অবৈধভাবে অর্জিত আয়ের উৎস প্রসারিত হয়। কারণ সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ অর্থায়নের বড় উৎস হচ্ছে অবৈধ উপায়ে অর্জিত আয়, যা বাংলাদেশসহ বিশ্বের জন্য বড় হুমকি। অপরাধের ধরন বিস্তৃত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে প্রচলিত মানি লন্ডারিং আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেয় সরকার। এতে দুদকের পাশাপাশি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), কেন্দ্রীয় ব্যাংক, সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে সম্পৃক্ত করা হয়। এ ছাড়া ‘যুগপৎ’ তদন্তের ক্ষমতা দেওয়া হয় সংশোধনী আইনে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে দুদক কমিশনার (অনুসন্ধান) ড. মোজাম্মেল হক খান সমকালকে বলেন, বর্তমান মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন নিয়ে সরকারি বিভিন্ন সংস্থা কাজ করছে। ফলে প্রয়োগের ক্ষেত্রে অনেক সময় ঝামেলা হয়। একক কোনো সংস্থা কাজ করলে সমস্যা কম হয়- এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন- পুলিশ, এনবিআর, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ একাধিক সংস্থা কাজ করায় কে কী কাজ করছে, মামলাগুলোর অগ্রগতি কী- এসব বিষয়ে জানা সম্ভব হয় না। সংস্থাগুলোর মধ্যে পরস্পর যোগাযোগ না থাকায় সমন্বয়ের ঘাটতি রয়েছে বলে মনে করেন তিনি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রচলিত আইনে দুদক যেসব মামলা করেছে, প্রত্যেকের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত এবং সাজা হয়েছে। তবে অপরাধীরা এখন জেল খাটছে কি-না বা পুলিশের হেফাজতে আছে কি-না তা বলতে পারব না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Design & Maintenance By Abu Bokkor Siddik