Logo
শিরোনাম
আবু ত্ব-হা আদনানের খোঁজ মিলেছে ! পরীমনির বাসা যেন মদের বার, প্রতিদিনই বসে আসর ! বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বানে গাজীপুর মহানগর এর অন্তর্গত বাসন থানায় বৃক্ষ রোপন কর্মসূচী-২০২১ গাজীপুরে ধর্ষণ অভিযোগের দুই ঘন্টার মধ্যেই গ্রেপ্তার! লাইকি-বিগো লাইভের মাধ্যমে মাসে কোটি কোটি টাকা পাচার ! এই মহামারী করোনা কালীন সময়ে জনসচেতনতা সৃষ্টি ও আর্তমানবতার কল্যাণে করনীয় শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় ! জাতীয় কবি’র ১২২ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন ! শরণখোলায় ছাত্রীকে যৌন হয়রানীর অভিযোগে প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার ! গাজীপুরে কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধ দমনে জনসচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা ! দীর্ঘ পাঁচ বছর বা ছয় বছর ধরে মোঃ রাসেল মিয়া (২২) পেটে অগ্নায়ে ঘা আক্রান্ত হয়ে ভুগছেন!

দেশের রক্ত চুষছে দুর্নীতিবাজরা : হাইকোর্ট

দেশের রক্ত চুষছে দুর্নীতিবাজরা বলে মন্তব্য করেছেন হাইকোর্ট। রোববার অর্থ আত্মসাতের মামলায় একটি জামিন আবেদনের শুনানিকালে বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ মন্তব্য করেন।

এসময় আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হেলেনা বেগম চায়না। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন ভুঁইয়া। অন্যদিকে, আসামি পক্ষে ছিলেন আইনজীবী হোসাইন মোহাম্মদ ইসলাম।

আদালত বলেন, ‘দুর্নীতি মামলার আসামিরা মাটির নিচে থাকলেও সেখান থেকে তাদের খুঁজে বের করতে হবে। কারণ ব্যাংকের অর্থ জনগণের সম্পদ। যেকোনো মূল্যে ব্যাংকের আত্মসাৎ হওয়া টাকা উদ্ধার করতে হবে। প্রয়োজনে আসামিদের সম্পত্তি বিক্রি করে ব্যাংকের টাকা আদায় করতে হবে। এরা দেশের রক্ত চুষছে। এদের কোনো ক্ষমা নেই।’

এর আগে পরস্পর যোগসাজশে জাল রেকর্ডপত্র তৈরি করে প্রতারণামূলকভাবে ও ভুয়া রপ্তানি দেখিয়ে ঢাকা ব্যাংক লিমিটেডের ধানমন্ডি শাখায় ২৬টি বিল জমা দেওয়া হয়। পরে ১৭টি বিলের বিপরীতে ২৬ কোটি ৮৫ লাখ ৯৮ হাজার ১২৬ টাকা উত্তোলন করে আসামিরা। এর মধ্যে ৩টি বিলের মূল্যসহ ও চতুর্থ বিলের আংশিক মূল্যসহ মোট পাঁচ কোটি ৬১ লাখ ১০ হাজার টাকা ব্যাংকে ফেরত দেওয়া হয় এবং অবশিষ্ট ১৪টি বিলের মূল্য ২১ কোটি ২৪ লাখ ৯১ হাজার ৪৭১ টাকা ব্যাংকে ফেরত না দিয়ে আত্মসাৎ করা হয়। পরে দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ইকবাল হোসেন সাত জনকে আসামি করে ধানমন্ডি থানায় ২০১৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর মামলা দায়ের করেন। মামলাটি ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তদন্তাধীন রয়েছে।

ওই মামলার আসামিরা হলেন, সাইমেক্স লেদার প্রাইভেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান তালহা শাহরিয়ার আইয়ুব টি এস আইয়ুব, তার স্ত্রী পরিচালক তানিয়া রহমান, ঢাকা ব্যাংকের ধানমন্ডি শাখার ভিপি ও ইনচার্জ মো. আমিনুল ইসলাম, ব্যাংকটির এভিপি ও সিপিসি সুলতানা ফাহমিদা, মেসার্স এস অ্যান্ড এস এজেন্সির মালিক বিভূতি ভূষণ বালা, মেসার্স জামান এন্টারপ্রাইজের মালিক শেখ আসাদুজ্জামান মিন্টু এবং মেসার্স সাদাত এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. আমিনুল ইসলাম।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By Raytahost