Logo
শিরোনাম
জাতীয় শ্রমিক লীগের ৫২ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে গাজীপুর মহানগর শ্রমিক লীগের উদ্যোগে ১৪ নং ওয়ার্ড সভাপতি আনোয়ার হোসাইন উপস্থিত ছিলেন….. গাজীপুর মহানগর যুবলীগ ২২ নং ওয়ার্ড সভাপতি পদপ্রার্থী মোঃ রাসেল মোল্লাহ । দ্বিতীয়বারের মতো চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জোড়গাছা ইউনিয়ন নমিনেশন প্রত্যাশী বর্তমান সফল ইউপি চেয়ারম্যান জনাব রুস্তম আলী মন্ডল….. বিজ্ঞানের দৃষ্টিভঙ্গিতে মৃতদেহকে কবর দেওয়ার ঠিক 24 ঘন্টা পরে মানুষের শরীরের কি দেখা দেয়… সরকারি আশ্রয়ণের নিজ ঘরে নারীকে কুপিয়ে হত্যা মোংলায় আ’লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১৪ চট্টগ্রাম নবীনগরে ৭০ বছর পর ছেলেকে ফিরে পেলেন মা মাদক কারবারির হাতে নিহত এএসআই পিয়ারুলের বাড়ীতে শোকের মাতম গাজীপুরের মেয়রকে আ.লীগ থেকে বহিষ্কারের দাবিতে তৃতীয় দিনে বোর্ডবাজার সহ মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ প্রধানমন্ত্রীর এসডিজি অর্জনে গাজীপুর মেয়রের আনন্দ মিছিল গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গৌরবময় সেবার তৃতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বাসন থানা কর্তৃক কেক কেটে উদযাপন করেন। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ২৯ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম তরত পাড়া পাকা মসজিদ।  ঘোড়াশালে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের ৪ দফা দাবিতে মানববন্ধন ও ৪ মন্ত্রণালয়ে স্বারকলিপি প্রদান লড়াই করে জিতে আরও এগিয়ে বাংলাদেশ ছাড় দেওয়া বয়স মেনে চাকরির শূন্য পদ পূরণের নির্দেশ সাড়ে ১৬ কোটি টিকা কেনার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ২১২১ সহকারী শিক্ষকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা আবার শুরু। নগরীর ৩৪ নং ওয়ার্ড গাছা থানা আওয়ামী লীগ অঙ্গ সহযোগী সংগঠন উদ্যোগে ১৫ ই আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মিলাদ মাহফিল, দোয়া ও গনভোজ অনুষ্ঠিত। বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ গাজীপুর মহানগর শাখা কর্তৃক আয়োজিত ৪৬ তম জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা, দোয়া ও গনভোজের. দেশের ৪৬১টি উপজেলা শতভাগ বিদ্যুতায়িত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে প্রেমিককে খুন

স্বামী ঠান্ডু মোল্লা (৩৭) প্রবাসে থাকায় ময়মনসিংহের যুবক শহিদুল ইসলামের (৩২) সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে গৃহবধূ সালমা খাতুনের (৩২)। দেশে আসার পর বিষয়টি স্বামী ঠান্ডু মোল্লা জেনে যাওয়ায় সালমা সংসার টিকিয়ে রাখতে তাকে সঙ্গে করে অন্য একজনের সহায়তায় পরিকল্পিতভাবে খুন করেন প্রেমিক শহিদুলকে।

পাবনার সাঁথিয়ায় তিন বছর আগে সংঘটিত এই চাঞ্চল্যকর খুনের ঘটনার কুলকিনারা করতে পারেনি থানা পুলিশ। সিআইডিও কোনো আসামি গ্রেফতার করতে না পেরে ঘটনাটি ভিন্নখাতে চালিয়ে দায়সারা চার্জশিট প্রদান করে। অবশেষে তিন বছর পর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এই চাঞ্চল্যকর খুনের রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) খুনের সঙ্গে জড়িত অন্যতম প্রধান আসামি হায়াত আলীকে (২২) গ্রেফতার করা হয়েছে। পিবিআই পাবনার সদস্যরা হায়াত আলীকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। হায়াত আলী সিরাজগঞ্জ জেলার শাহাজাদপুর উপজেলার করশালিকা পুরানপাড়া গ্রামের গেদু শেখের ছেলে। মামলার অন্য আসামিরা হলেন- একই গ্রামের মৃত রহমান মোল্লার ছেলে প্রবাসী ঠান্ডু মোল্লা ও তার স্ত্রী মোছা. সালমা খাতুন। খুনের শিকার যুবক শহিদুল ইসলাম ময়মনসিংহ জেলার ধুবাউড়া থানার বাকপাড়া বাজার চারুয়াপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল বারেকের ছেলে। প্রবাসী ঠান্ডুর স্ত্রী সালমা খাতুন প্রেমিক শহিদুলের পাশের গ্রাম গিলাগড়া গ্রামের সুরুজ আলীর মেয়ে।

পিবিআই পাবনা জেলার প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন কান্তি চৌধুরী জানান, কয়েক বছর আগে ঠান্ডু মোল্লা তার স্ত্রী সালমা খাতুনকে ময়মনসিংহে বাবার বাড়িতে রেখে ওমানে যান। এ সময় শহিদুল ইসলামের সঙ্গে তার পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি তার ওমান প্রবাসী স্বামী জানার পর ক্ষুদ্ধ হন। এরপর দেশে ফিরে এসে তিনি স্ত্রীর কাছে সব জেনে শহিদুলকেই হত্যার পরিকল্পনা করেন। তখন সালমা সংসার টেকাতে তার স্বামীকে সহযোগিতা করেন।

এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর শহিদুল ইসলামকে ময়মনসিংহ থেকে সালমা কৌশলে পাবনার সাঁথিয়ায় নিয়ে আসেন। সন্ধ্যায় সালমা সাঁথিয়ার চতুর বাজারের এক জায়গায় তার সঙ্গে গল্প করতে থাকেন। তখন পূর্বপরিকল্পনা মোতাবেক শহিদুলকে হায়াত আলী ও ঠান্ডু মোল্লা কুপিয়ে মারাত্মক আহত করে পালিয়ে যান। ১৭ অক্টোবর শহিদুল চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনার পর নিহতের ভাই পাহাড়ী রাজু সাঁথিয়া থানায় মামলা করেন। সাঁথিয়া থানা পুলিশ মামলার কুলকিনারা করতে পারেনি। পরে সাঁথিয়া থানা হতে মামলাটির তদন্তভার পাবনা জেলা সিআইডি গ্রহণ করে। সিআইডি মামলার তিনজন আসামিকে অব্যাহতি দিয়ে আসামি হায়াত আলী ও ঠান্ডু মোল্লাকে পলাতক দেখিয়ে আদালতে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। বাদীপক্ষ এতে সন্তুষ্ট হতে না পেরে নারাজি দিলে আদালত মামলার পুনরায় তদন্তভার পাবনা জেলা পিবিআইয়ের ওপর অর্পণ করেন।

পিবিআইয়ের পাবনা জেলা প্রধান মামলাটি তদন্তের নির্দেশনা পেয়ে এসআই মো. সবুজ আলীকে তদন্তের দায়িত্ব দেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. সবুজ আলী কিছুদিনের মধ্যেই তথ্য-প্রযুক্তি সহায়তায় মামলার রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হন।

তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. সবুজ আলী জানান, হায়াত আলী জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন ঘটনার পর থেকেই আসামি ঠান্ডু মোল্লা বিদেশে পালিয়ে যান। তিনি বর্তমানে ওমানে পলাতক অবস্থায় রয়েছেন। গ্রেফতার হায়াত আলীকে আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে। তিনি বিজ্ঞ আদালতে শহিদুল ইসলামকে হত্যা করার ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন।

এসআই সবুজ আলী বলেন, অন্য আসামিদের শিগগিরই গ্রেফতার করা যাবে।

উল্লেখ্য, মামলার বাদী, এজাহার ও সিআইডি পাবনা জেলার তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল- ঠান্ডু মোল্লা শহিদুল ইসলামকে ৪ লাখ টাকা দিয়েছিলেন। টাকা ফেরত না দেয়ায় এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Design & Maintenance By Abu Bokkor Siddik