Logo
শিরোনাম:
১১ নং ওয়ার্ডের উন্নয়ন ও মানবিক সেবার প্রতিশ্রুতি নিয়ে মাঠে সেলিম হোসেন মন্ডল, সকলের দোয়া প্রত্যাশী। গাজীপুরের৩৬নং ওয়ার্ডের পলাসোনায় ঐতিহ্যবাহী হা-ডু-ডু খেলা অনুষ্ঠিত হয়। জয়নুল আবেদীন মেমোরিয়াল হাই স্কুলে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত। গাজীপুরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দলের কেন্দ্রীয় ভাইস প্রেসিডেন্ট দিলারা সুলতানা সেতু। যোগীতলা মধ্যপাড়া যুব সমাজের উদ্যোগে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিনে প্রধান অতিথি আব্দুল হালিম মোল্লা। বোগরা বাইপাসে প্রধানমন্ত্রীকে বৈশাখী শুভেচ্ছা জানালেন গাজীপুর মহানগরের দুই নেতা। গাজীপুরে পলি কেবলসের সর্বোচ্চ বিক্রেতা প্রথম স্থান অর্জনকারী গাজীপুরের জহিরুল ইসলাম সরকারকে ফুলেল শুভেচ্ছা। তাকওয়া পরিবহন নিষিদ্ধের দাবিতে জাগ্রত চৌরঙ্গীতে গণ-মানববন্ধন ও বিক্ষোভ। গাজীপুরের শিববাড়ি মোড়ে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল। উচ্ছেদের পরও দখলের পায়তারা, গাজীপুরের ২২ নম্বর ওয়ার্ডে রাজেন্দ্রপুর চৌরাস্তায়।

আজ মুসলিম সমাজের অন্যতম পবিএ উৎসব।

শবে বরাত মুসলিম সমাজের অন্যতম পবিত্র উৎসব যা ইসলাম ধর্মাবলম্বী মানুষরা পালন করেন নিষ্ঠা সহকারে। ফারসি শব্দ ‘শবে বরাত’ এর অর্থ হল সৌভাগ্য এবং ক্ষমার রাত্রি। । সারা বিশ্বের ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা পালন করেন এই পরব। ইসলামী ক্যালেন্ডারের অষ্টম মাস অর্থাৎ শাবান মাসের ১৪ ও ১৫ তম রাতে এই উৎসব পালন করার রীতি। শবে বরাতকে ইসলামী বর্ষপঞ্জির পবিত্রতম রাত হিসাবে মনে করা হয় যা লাইলাতুল-বরাত বা লাইলাতুল-বারা বা মধ্য শাবান নামেও পরিচিত

মহিমান্বিত রজনী হিসেবে মুসলিম সমাজে শবে বরাতের গুরুত্ব অনস্বীকার্য। ইসলামের নবী হজরত মুহাম্মদ এই রাতে বান্দাদের ইবাদত ও বন্দেগিতে নিমজ্জিত থাকার নির্দেশ দিয়ে গিয়েছেন। হাদিসের ভাষ্য অনুযায়ী, আল্লাহ এই রাতে তাঁর বান্দাদের গুনহা(অপরাধ) মাফ(ক্ষমা) করে দেন, জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন। মহিমান্বিত এই রাতে তাই ধর্মপ্রাণ

মুসলমানরা পরম করুণাময়ের থেকে অনুগ্রহ লাভের আশায় নামাজ পাঠ করে, কোরাণ তেলাওয়াত করেন এবং জিকিরে ডুবে থাকেন। অনেকেই এদিন রোজা রাখেন এবং গোপনে দান-খয়রাতের কাজ করে থাকেন। এদিন অতীতের পাপ কাজের জন্য আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করে থাকেন এবং ভবিষ্যত জীবনের কল্যাণ কামনা করে পয়গম্বরের কাছে। অনেকে, এই রাতে তাঁদের মৃত পূর্বপুরুষদের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়ার জন্য প্রার্থনার আয়োজন করেন। এই পবিত্র রাতে ধর্মপ্রাণ মুসলীমরা আত্মীয়-প্রতিবেশী-দুঃস্থ মধ্যে হালুয়া, ফিরনি সহ নানারকমের খাবার বিতরণ করে থাকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By Raytahost