জেলা প্রতিনিধি:পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে জোয়ারের পানিতে ভেসে এসেছে মৃত এক ডলফিন।
মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে কুয়াকাটা সৈকত থেকে অন্তত ২ কিলোমিটার পূর্বদিকে ঝাউবন এলাকার বালুচরে আটকে পড়া ডলফিনটি দেখতে পান স্থানীয়রা।
ইরাবতী প্রজাতির ডলফিনটি প্রায় ৬ ফুট দৈর্ঘ্যর বলে জানা গেছে। এটি দেখতে পর্যটক সহ শতশত মানুষ ভীর করে ওই এলাকায়। তবে এটির বিভিন্ন অংশে চামড়া বিকৃতি অবস্থায় ছিল।
স্থানীয়দের ধারনা, ডলফিনটি মনেহয় এক সপ্তাহ আগে জেলেদের জালে আটকে মারা যেতে পারে।
জলজ প্রানী বিশেষজ্ঞদের অভিমত, ডলফিন শুধু সমুদ্রের প্রাণী নয়, এটি সমুদ্র পরিবেশের স্বাস্থ্য ও ভারসাম্যের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ সূচক। ডলফিনের উপস্থিতি সমুদ্রের ইকোসিস্টেমকে সুস্থ রাখে, মাছ ও অন্যান্য সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যকে সুরক্ষা দেয়।
সমুদ্রের নীল অর্থনীতি, উপকূলের পরিবেশ-প্রতিবেশ এবং জীববৈচিত্র্য নিয়ে কাজ করা গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ডফিশের ইকোফিশ-২ বাংলাদেশ প্রকল্পের সহযোগী গবেষক বখতিয়ার উদ্দিন জানান,এটি মূলত ইরাবতী প্রজাতির ডলফিন।
এটির শরীরে রক্তাক্ত দাগ থেকে দেখা যায়, নৌযান, মাছ ধরার যন্ত্র ও জেলেদের কার্যক্রমই মৃত্যুর মূল কারণ।
নদী ও মোহনার দূষিত পানি যেমন শিল্প বর্জ্য, প্লাস্টিক ও তেল ও হুমকি সৃষ্টি করছে।
গবেষকরা স্থানীয় সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ডলফিন অভয়ারণ্য এলাকায় জাল ব্যবহারে সীমাবদ্ধতার আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে কুয়াকাটার জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষিত থাকে।
বনবিভাগের মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা কে এম মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বনবিভাগের টিম পাঠিয়েছি। মৃত ডলফিনটিকে মাটি চাঁপা দেয়া হয়েছে।