প্রতিবেদক: মুফতি সাইফুল্লাহ শামসী
মহাসচিব, আর-রহমান আশ-শামস মাজলিসুল ওয়ায়েজীন বাংলাদেশ
কক্সবাজার থেকে গাজীপুরগামী আইকনিক এক্সপ্রেসের একটি বাসে ভ্রমণের সময় চরম দুর্ভোগের শিকার হন যাত্রীরা। বাসটি ছিল “বিজনেস প্লাস স্লিপার” সার্ভিসের, যেখানে যাত্রীরা আরামদায়ক ভ্রমণের প্রত্যাশা করেছিলেন। তবে যাত্রাপথে হঠাৎ করেই পরিস্থিতি ভিন্ন মোড় নেয়।
যাত্রীদের বর্ণনা অনুযায়ী, কিছু দূর যাওয়ার পর বাসচালক হঠাৎ গাড়িটি সড়কের পাশে থামিয়ে দেন। এ সময় যাত্রীদের জানানো হয় যে সেনাবাহিনীর চেকিং চলছে। তবে দীর্ঘ সময় পার হওয়ার পর প্রকৃত ঘটনা সামনে আসে।
প্রায় দুই ঘণ্টা অপেক্ষার পর জানা যায়, ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ম্যাজিস্ট্রেট বাসটির কাগজপত্র যাচাই করছেন। পরবর্তীতে আরও জানা যায়, বাসটির ফিটনেস মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে এবং এটি অবৈধভাবে চলাচল করছিল।
শুধু এই একটি বাসই নয়, এ ধরনের ফিটনেসবিহীন বহু স্লিপার বাস বিভিন্ন কোম্পানির অধীনে সড়কে চলাচল করছে বলে অভিযোগ ওঠে। এসব অনিয়ম ধরতে প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করছিল বলে জানা যায়।
এ ঘটনায় শুধু একটি বাসের যাত্রীরাই নয়, আশপাশে থাকা আরও বহু যানবাহনের যাত্রীরাও ভোগান্তির শিকার হন। প্রায় তিন ঘণ্টা সড়কে আটকে থেকে দুর্ভোগ পোহাতে হয় শত শত যাত্রীকে।
যাত্রীদের মতে, প্রশাসন যদি আগে থেকেই কঠোর নজরদারি করত, তাহলে এ ধরনের ভোগান্তি এড়ানো সম্ভব হতো। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, যেসব কোম্পানির স্লিপার বাস পরিচালনার বৈধ অনুমোদন নেই, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
এ বিষয়ে যাত্রীদের প্রত্যাশা, যথাযথ তদারকি ও আইন প্রয়োগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমানো সম্ভব হবে।