গাজীপুর থেকে রাজু আহমেদ
গাজীপুর মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা পুলিশের (উত্তর) এসআই মাসুদের বিরুদ্ধে একটি নিউজ পোর্টালে “গাজীপুর ডিবি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ ও অনিয়মের অভিযোগ” প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি। তিনি দাবি করেছেন, সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার ষড়যন্ত্র।
প্রকাশিত সংবাদে অভিযোগ করা হয়েছে, গত ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে এসআই মাসুদ পশ্চিম ভুরুলিয়ার ইকবাল ও তার স্ত্রী কণার কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এ বিষয়ে এসআই মাসুদ বলেন, “সংবাদে উল্লেখিত ইকবাল বা কণা এদের কাউকেই আমি চিনি না, কোনোদিন দেখিনি। যাদের আমি চিনিই না, তাদের বাড়িতে অভিযান চালানো বা টাকা দাবির প্রশ্নই আসে না। এটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক,সাজানো ও উদ্দেশ্যে প্রণোদিত।
মাদক কারবারিদের কাছ থেকে নিয়মিত মাসোহারা নেওয়ার অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেন। বলেন, “চাকরিতে যোগদানের পর থেকে আমি মাদক বা অন্য কোন খাত থেকে মাসোহারা নেয়নি।মাদকের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে নিয়মিত মামলা দেওয়ার কারণে এ ধরনের ভিত্তিহীন ও বাস্তবতা বিবর্জিত মনগড়া তথ্য দিয়েছে।মাদক সিন্ডিকেট তাদের অনৈতিক সুবিধা না দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে একটি মহল আমার বিরুদ্ধে এই মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।”
তিনি আরো বলেন অস্তিত্বহীন একটি আইডি থেকে আমার বিরুদ্ধে যে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হয়, সেই অপপ্রচার কে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে কয়েকজন সাংবাদিক আমাকে ফোন আমার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করার ভয়ভীতি দেখিয়ে ফায়দা নিতে চাইলে আমি তাদের চ্যালেঞ্জ করে বলেছি যদি এমন কোন তথ্যপ্রমাণ থাকে তা হলে আপনারা সংবাদ প্রকাশ করেন। আমি মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা কালীন সময়ে মাদক কারবারী আটক করলে মাদক কারবারীদে পক্ষে সুপারিশ করেন এসব সাংবাদিক। তাতের সুপারিশ না শোনায় তারাই আমার বিরুদ্ধে এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে।
এসআই মাসুদ আক্ষেপ করে বলেন, মিথ্যা,বানোয়াট, মনগড়া তথ্য দিয়ে একজন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এমন সংবাদ প্রকাশ কেবল তার মানহানিই করে না, বরং সৎভাবে দায়িত্ব পালনে মনোবল ভেঙে দেয়।”
তিনি চ্যালেঞ্জ করে বলেন, সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্ত হলে এসব অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যাবে না। ভবিষ্যতে যাচাই-বাছাই ছাড়া এমন বিভ্রান্তিকর সংবাদ পরিবেশন না করার জন্য তিনি অনুরোধ জানান।