Logo
শিরোনাম:
ত্যাগী-নির্যাতিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করবেন দলের উচ্চ পর্যায়ের নেতারা: কফিল উদ্দিন আহম্মেদ জ্বালানি তেল সংকট ও ডলার ক্রাইসিসে কাঁপছে পোশাক শিল্প: দ্রুত নীতি সহায়তা চান ডিবিসি’র পরিচালক ও স্টাইলিশ গার্মেন্টসের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন চৌধুরী পরিচ্ছন্ন ৫০ নং ওয়ার্ড বিনির্মাণের অঙ্গীকার আব্দুস সালাম তরুণদের নিয়ে স্মার্ট ওয়ার্ড গড়ার প্রত্যয়ে এস,আই টুটুল গাজীপুরে তেল সিন্ডিকেটের অভিযোগ: সিটি ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার রফিকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ১১ নং ওয়ার্ডের উন্নয়ন ও মানবিক সেবার প্রতিশ্রুতি নিয়ে মাঠে সেলিম হোসেন মন্ডল, সকলের দোয়া প্রত্যাশী। গাজীপুরের৩৬নং ওয়ার্ডের পলাসোনায় ঐতিহ্যবাহী হা-ডু-ডু খেলা অনুষ্ঠিত হয়। জয়নুল আবেদীন মেমোরিয়াল হাই স্কুলে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত। গাজীপুরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দলের কেন্দ্রীয় ভাইস প্রেসিডেন্ট দিলারা সুলতানা সেতু। যোগীতলা মধ্যপাড়া যুব সমাজের উদ্যোগে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিনে প্রধান অতিথি আব্দুল হালিম মোল্লা।

দায় মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের, দোষীদের শাস্তি হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়কে আমরা রাজাকার, আলবদর ও আলশামসের কোনো তালিকা দেইনি। আমাদের দেওয়া তালিকাটি দালাল আইনের অভিযুক্তদের তালিকা।

বুধবার বিকেলে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দালাল আইনে যারা অভিযুক্ত ও মামলা হয়েছে তাদের তালিকা দিয়েছি। তবে এর সঙ্গে আমরা একটি নোট দিয়েছি। আমাদের কোথাও ভুলভ্রান্তি থাকলে তা দেখা হবে। এই কাজে যারা ভুল করেছে তাদের অবশ্যই শাস্তির আওতায় আনা হবে।

এর আগে মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, রাজাকারদের তালিকা প্রকাশের আগে তা মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করা উচিত ছিল।

মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় রাজাকারদের যে তথ্য আছে, সেগুলো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে চেয়েছিল। পরে পাঠানো হয়েছে। এটি একটি দুরূহ ব্যাপার। দালাল আইনে ১৯৭২ সালে যাদের নামে মামলা হয়েছিল, তদন্ত শুরু হয়েছিল, পরে আবার কেউ কেউ মামলা থেকে প্রত্যাহার হয়েছিল, তাদের আমরা প্রাথমিকভাবে নিয়েছি। আমরা প্রাথমিকভাবে সেই মামলার বিবাদীদের নাম লিস্ট করি। পরে আমরা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দিই। তবে সেই লিস্টে কিছু মন্তব্য করে দিয়েছি যে, অনেকগুলো মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছিল। এ হিসেবে আমরা আমাদের এখান থেকে একটি নোটও দিয়েছিলাম।

অন্যদিকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছিলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে যে তালিকা পেয়েছি, হুবহু তা প্রকাশ করেছি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও সে সময়ের সরকারি রেকর্ড দিয়েছে, নতুন তালিকা করেনি।

উল্লেখ্য, ১৫ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ১০ হাজার ৭৮৯ ব্যক্তির নাম প্রকাশ করে সেটিকে রাজাকারের তালিকা বলে উল্লেখ করে। ওই তালিকায় গেজেটেড মুক্তিযোদ্ধাদের নামও রয়েছে। বিষয়টি প্রকাশে আসার পরই ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By Raytahost