নরসিংদী জেলা প্রতিনিধি মোঃ কামাল হোসেন প্রধান
নরসিংদীর শিবপুরে নিজ ভাড়া বাসা থেকে শিবপুর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ বিল্লাল হোসেনৌ (৫০) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছেন শিবপুর মডেল থানার পুলিশ। অদ্য ১৮ জুন ২০২৬ ইং বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শিবপুর উপজেলার কলেজগেট সংলগ্নে এ ঘটনা ঘটে। যানা যায় ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় রশি দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
নিহত বিল্লাল হোসেন গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার গোসিংগা গ্রামের মৃত হাসান আলীর ছেলে। তিনি ২০০৬ ইং সালে শিবপুর পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি শিবপুর কলেজগেট স্কুল সংলগ্নে মোহাম্মদ আলীর বাড়ির দোতলায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছিলেন।
অদ্য সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে শিক্ষক বিল্লাল হোসেনের মরদেহ ঝুলতে দেখে থানায় খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে শিবপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মামুন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি চিরকুট (সুইসাইড নোট) উদ্ধার করেছে। তবে চিরকুটটি তাৎক্ষণিকভাবে খোলা হয়নি। তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মামুন জানান, জেলা পুলিশ সুপার মহোদয় ঘটনাস্থলে আসার পর তাঁর উপস্থিতিতে চিরকুটটি খোলা হবে।
এদিকে প্রিয় শিক্ষকের এমন আকস্মিক ও মর্মান্তিক মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে শিবপুর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় এর শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে সকলেই বিদ্যালয়ে ছুটে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন।
ঠিক কী কারণে এই শিক্ষক আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন,তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে চিরকুটটি খোলার পর এবং পুলিশের তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটিত হবে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। এ বিষয়ে শিবপুর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। শিবপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ কোহিনুর মিয়ার নিকট চিরকুটে কি লেখা ছিল জানতে চাইলে তিনি বলেন,চিরকোটটি কে লিখেছে কেন লিখেছেন তা তদন্তাধীন রয়েছে ।